Ads Top


যশোরের গদখালী ফুল গবেষণা কেন্দ্র হচ্ছে ১৫৫ কোটি টাকায়

যশোরের গদখালীর নাম নিলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সারি সারি ফুলের বাগান, ফুলের গন্ধ আর ফুল চাষীদের কর্ম ব্যস্ত জীবন। গদখালীকে বলা হয় বাংলাদেশের ফুলের রাজধানী। যশোর শহর থেকে ২০ কিলোমিটার পশ্চিমে যশোর বেনাপোল রোডে গেলে ঝিকরগাছার পর গদখালী বাজার। ফুলের সাম্রাজ্য হিসেবেই এ এলাকার পরিচিতি রয়েছে সারা দেশে। শাহবাগ সহ দেশের ফুলের চাহিদার বড় অংশই জোগান দেন এখানকার চাষিরা। গদখালীর ৪০ শতাংশ ফুল ঢাকা ও চট্টগ্রাম এবং ৬০ শতাংশ ফুল চালানের মাধ্যমে পাইকারি দামে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ছোট-বড় বাজারে পাঠানো হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ লাখ মানুষ এখন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই ফুল উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। দেশের ফুলের পাইকারি বাজার প্রতিবছর মোটামুটি ৩০০ কোটি টাকা। খুচরা বাজারে যার পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। শুধু যশোর নয়, গত চার দশকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ফুল উৎপাদিত হচ্ছে। এসব এলাকার মধ্য রয়েছে- ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাভার, গাজীপুর, ময়মনসিং, রংপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বগুড়া, মানিকগঞ্জ ও নাটোর।

সারা দেশের ক্রমবর্ধমান ফুলের বাজার সম্প্রসারণে সরকার গদখালী, ঝিকরগাছা এলাকায় একটি ফুল গবেষণা সেন্টার করার উদ্যোগ নিয়েছে। জেলার ঝিকরগাছা থানায় এই সেন্টার স্থাপন করা হবে। পরিকল্পনা কমিশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন এরইমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে একটি খসড়া প্রস্তাব পেয়েছে। প্রকল্পটি এখন চূড়ান্ত হওয়ার পথে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৫ কোটি টাকা। আগামী ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্য এই সেন্টার স্থাপনের কাজ শেষ হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সেন্টার স্থাপন হলে দেশের ফুলের অর্থনীতি বাণিজ্যিকভাবে আরও এগিয়ে যাবে। গবেষণার মধ্য দিয়ে কৃষকরাও লাভবান হবে। সরকারী সহযোগীতা পেলে ও উন্নতমানের ফুল চাষ করলে বাংলাদেশী ফুল বিদেশেও রপ্তানীকরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যাবে। 

তথ্যসূত্রঃ আরটিভি অনলাইন 
Powered by Blogger.