Ads Top


যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে বা যশোর রোডে ৩শ’ কোটি টাকার উন্নয়নের কাজ শুরু

নিউজ ডেস্ক: অবশেষে যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের ৩শ’ ২৯ কোটি টাকার কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে দেশের গোটা দক্ষিণাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নসার্থক হতে চলেছে। যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নবঅভিযাত্রায় এই জনপদের উন্নয়নকামী সর্বস্তরের মানুষ তাই দারুণ উচ্ছ্বসিত-আনন্দিত। এই মাহেন্দ্রক্ষণের দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান হতে চলেছে।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের সঙ্গে রাজধানির সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক এই মহাসড়কের গুরুত্ব অপরিসীম তা বলাই বাহুল্য। দেশের ২২টি রুটের গণপরিবহনসহ সবরকমের যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের গুরুত্ব প্রশ্নাতীত। সরকারের রাজস্ব আয়ের বৃহত্তম খাত বেনাপোল স্থলবন্দর। বর্তমান সরকার মহাসড়কটির উন্নয়নে জনগুরুত্ব তালিকা করে।

সরকার ইতোমধ্যে ঝিকরগাছার কৃষিসমৃদ্ধ জনপথ নাভারণ এলাকাকে ‘অর্থনৈতিক অঞ্চল’ ঘোষণা করেছে। প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহনসহ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। ফলে অত্রাঞ্চলে কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নবদিগন্তের সূচনা করতে যাচ্ছে। সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে এই জণপদের বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবনযাত্রা।

মহাসড়কটি অপ্রসস্থ ও জরাজীর্ণ থাকায় সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংস্কার ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।  যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য, ঝিকরগাছা-চৌগাছা সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন। তারই একান্ত প্রচেষ্টায় মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। সংসদ সদস্য বিষয়টি জাতীয় সংসদেও একাধিকবার উত্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, মহাসড়কটির সাথে সাতক্ষীরা জেলা সদর ও ভোমরা স্থলবন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর মহাসড়ক ‘রিকন্সট্রাকশন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু হয়েছে। ঝিকরগাছার ফুলজোনখ্যাত গদখালীর মঠবাড়ি থেকে কাজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়েছে। নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্র্স মোজাহার এন্টারপ্রাইজ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালের ১০ অক্টোবর কার্যাদেশ পায় বলে জানান, যশোর সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিশ্বাস শফিকুল ইসলাম ও প্রজেক্ট ম্যানেজার রবিউল ইসলাম।

তারা জানান, সর্বমোট ৩৮ কিমি যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজের ১৮ কিমি সড়ক উভয় পাশে ৩ ফুট করে ৬ ফুট প্রসস্থ করা হচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী গাছ সংরক্ষণ করতে ৫ কিলো মিটার সড়ক অতিরিক্ত ৬ ফুট সম্প্রসারণ বাদ রাখা হবে। আগামী ২৪ মাসের মধ্যে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করার নির্দেশনা পাওয়া গেছে বলেও জানান তারা।
নিউজ উৎসঃ গ্রামের কাগজ ও অমৃতবাজার পত্রিকা 
Powered by Blogger.